শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিশুদের কাঁধে ভারী ব্যাগভর্তি বই চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে তারা আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ পাবে এবং খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের বিকশিত করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মিরপুরের ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে মিড-ডে মিল চালু করা হচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যেই সব প্রাথমিক বিদ্যালয় এ সুবিধার আওতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিক্ষকদের কল্যাণ প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন ড. এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ২০২২ সালের পর থেকে যেসব শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধা ও অবসর ভাতা পাননি, তাদের জন্য সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এ খাতে দুই হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং আগামী এক মাসের মধ্যেই কার্যক্রম শুরু হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বিকেন্দ্রীকরণ ও বহুমাত্রিক করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তার মতে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের মূল শক্তি হবে শিশু, কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম। তাই এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সমান দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শক্তিশালী প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাই একটি শক্তিশালী বাংলাদেশের ভিত্তি। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও নেতৃত্বদানে সক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষা ও ক্রীড়া উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।
