নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (NDRRMA) জানিয়েছে, নিখোঁজ ৮২৬ জনের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তাকর্মী এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক অন্তর্ভুক্ত।জেলাভিত্তিক উদ্ধার অভিযানে সবচেয়ে বেশি মরদেহ পাওয়া গেছে চিতওয়ানে। সেখানে ১০৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নওয়ালপরাসি ইস্টে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোরখায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, নওয়ালপরাসি ওয়েস্টে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুনে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে শুরু হওয়া ভয়াবহ বন্যায় নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা দিয়েছে। প্রবল স্রোতে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সড়ক ও সেতু পানিতে ভেসে গেছে। পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় উদ্ধার তৎপরতাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, হিমালয় অঞ্চলে বড় ধরনের বরফ ও পাথরের ধস থেকে এই দুর্যোগের সূত্রপাত। এর ফলে নদীগুলোতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর নেমে আসে। এতে সীমান্তবর্তী জনপদসহ বিভিন্ন সড়ক, সেতু ও অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুরুতে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহ-সংশ্লিষ্ট ধস এবং সেখান থেকে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষের প্রবাহকে বন্যার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট
বিজ্ঞাপন








