‘‘এসব আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ’’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, বাস্তবতার কারণে সব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হলেও সরকার তার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ত্যাগকে সরকারের কাজের অন্যতম প্রধান প্রেরণা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এসব পরিবারের ত্যাগ, সমর্থন ও সহযোগিতাই সরকারকে পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার সাহস জোগায়। তারাই সরকারের শক্তি ও উদ্দীপনার মূল উৎস। শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মত্যাগী গণতান্ত্রিক যোদ্ধাদের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে সহযোগিতা ও উৎসাহ দিতে হবে। অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য দেন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে নিজেদের অনুভূতি ও প্রত্যাশার কথা জানান। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, হাসান শিপলু, সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক, শাহরিয়ার পামির এবং আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য মোকছেদুল মোমিন মিথুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
বিজ্ঞাপন








