“শাহবাগ স্কয়ারে বক্তৃতা দেওয়া আর পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেওয়া এক কথা না।”—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদজবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “শাহবাগ স্কয়ারে বক্তৃতা দেওয়া আর পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেওয়া এক কথা না।” এই মন্তব্যের পরই বিরোধী সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করেন। এর আগে আরেক সদস্যের প্রশ্নকে তিনি “পল্টনের বক্তৃতা” বলেও মন্তব্য করেছিলেন। প্রতিবাদের মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, তিনি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে উদ্দেশ করে কথা বলেননি। পরে বক্তব্য প্রত্যাহারের কথাও জানান। তবে বিরোধী দলের হট্টগোল থামেনি। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, অধিবেশন শুরুর পর থেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন। তাঁর ভাষায়, “উনি নিজেকে কী মনে করেন, আমি বুঝতে পারি না।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগের একটি মন্তব্যের জবাবে তিনি আরও বলেন, “আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই। শিক্ষকতা করতে হলে তিনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন।”
“আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসি নাই। শিক্ষকতা করতে হলে তিনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন”—বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানবিরোধীদলীয় নেতা ঘটনাটিকে “পার্লামেন্টারিয়ান ফ্যাসিজম” আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ এবং বিতর্কিত বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। স্পিকার বলেন, বক্তব্যে অসংসদীয় কিছু থাকলে তা পরীক্ষা করে এক্সপাঞ্জ করা হবে। তবে সদস্যদের একে অপরকে কথা বলতে বাধা না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
“আমি কিন্তু সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। একে অন্যের বক্তব্যে বাধা দেওয়ার প্রবণতা গণতন্ত্র ও সংসদীয় পরিবেশের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।”স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ—পরে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “আমি কিন্তু সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। একে অন্যের বক্তব্যে বাধা দেওয়ার প্রবণতা গণতন্ত্র ও সংসদীয় পরিবেশের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।”
বিজ্ঞাপন








