রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল রহমান দুলু বলেন, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের মৃত্যুদণ্ডের আবেদন জানান।
শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষ আসামি সোহেল রানার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বিষয়েও আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। গ্রেপ্তারের পর সোহেল আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করেছিলেন।
এদিকে, যুক্তিতর্কের পরবর্তী পর্যায়ে বর্তমানে আসামিপক্ষের শুনানি চলছে। শুনানির আগে আসামি স্বপ্না আক্তার অসুস্থ বোধ করলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর ওই বাসার বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে সোহেল রানা আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে অপরাধের দায় স্বীকার করেন।
এর আগে ২ জুন মামলার শুনানিতে নিহত শিশুর বাবা-মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।
