ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা হওয়া নাহিদ ইসলামের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) একসময় লক করে রেখেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তথ্য ফাঁসের অভিযোগের কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় পাঁচ দিন পর তা খুলে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, একটি টেলিগ্রাম গ্রুপকে কেন্দ্র করে নাহিদের বিরুদ্ধে ‘ভন্ডবাবা’ গ্রুপের এডমিন হিসেবে এনআইডি ব্যবহার করে তথ্য পাচারের অভিযোগ আসে। অভিযোগে নাহিদের এনআইডি নম্বরও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগকে সরবরাহ করা হয়। এর ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তার এনআইডি লক করে সংস্থাটি।
তবে তদন্তে বেরিয়ে আসে, ‘ভন্ডবাবা’ নামে কোনো হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ নেই, এটি একটি টেলিগ্রাম গ্রুপ এবং নাহিদ ইসলাম এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। তার এনআইডির সঙ্গে কোনো ডাটা লিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মেলেনি।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়, “এই ভোটার কর্তৃক কোনো তথ্য সরবরাহের প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।” তাই ২২ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের তৎকালীন মহাপরিচালক তার এনআইডি খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
বর্তমান এনআইডি মহাপরিচালক এসএম হুমায়ুন কবীর গণমাধ্যমকে বলেন, “সে সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না, তাই এই বিষয়ে মন্তব্য করা আমার এখতিয়ারে পড়ে না।”
উল্লেখ্য, উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর নাহিদ ইসলাম নতুন একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
