গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
নিহতরা হলেন—গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের দীপ্ত সাহা (২৫), কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮), টুঙ্গীপাড়ার সোহেল রানা (৩০) ও গোপালগঞ্জ সদরের ইমন (২৪)। গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গুরুতর আহত তিনজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে একজন রমজান মুন্সী।
বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে বেলা দেড়টার দিকে শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশ মঞ্চেও হামলা চালানো হয়। দুপুর ২টার পর সেখানে উন্মুক্ত মঞ্চে এনসিপির সভা শুরু হয়।
‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিকে ঘিরে টানটান উত্তেজনার মধ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, ইউএনও’র গাড়িবহরে হামলা এবং পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে।
সহিংসতা থামাতে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
