মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। একইসঙ্গে বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাবনাও উত্থাপন করা হয়েছে। এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রভাবশালী উপদেষ্টা এবং রক্ষণশীল মুখপত্র কায়হান পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হোসেইন শরিয়তমাদারি। খবর সিএনএনের।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি রুট হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনা দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর। ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানের মতো ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ঘটনার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শরিয়তমাদারি বলেন, “এবার পালা আমাদের। কোনো দ্বিধা ছাড়াই প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে হামলা চালানো উচিত এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া উচিত।”
টেলিগ্রামে কায়হানের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে শরিয়তমাদারির মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে কেবল যুক্তরাষ্ট্র নয়, ব্রিটেন, জার্মানি ও ফ্রান্সের জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে কড়া ভাষায় পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “এভাবে চলতে পারে না। হয় শান্তি ফিরবে, নয়তো ইরানকে ভয়াবহ ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হতে হবে।” ট্রাম্পের ভাষ্যে, “গত আট দিনে আমরা যা দেখেছি, তার চেয়ে অনেক ভয়াবহ পরিস্থিতি সামনে আসতে পারে।”
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১০টায় হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি ইরানকে কঠোর বার্তা দেন। ট্রাম্পের এ বক্তব্য প্রকাশ করে আল–জাজিরা।
