কোচিং সেন্টার পরিচালনায় শৃঙ্খলা আনতে শিগগিরই সেগুলোকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ব্যাঙের ছাতার মতো খোলা কোচিং সেন্টার আইনের আওতায় আসবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমি-তে কুমিল্লা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে, বিশেষ করে এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কোনো ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে এই নজরদারি জোরদার করা হবে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অজুহাত এড়াতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইপিএস ব্যবস্থাও রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নকলের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে নকলের প্রবণতা বেড়েছিল, তবে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং কোনোভাবেই নকল সহ্য করা হবে না।
কোচিং সেন্টার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশে-বিদেশে সব কিছুর লাইসেন্স ব্যবস্থা আছে। কিন্তু আপনি ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার খুলবেন- এগুলো কি আইনের আওতায় আসবে না মনে করেন? সব আস্তে-আস্তে হবে।’
অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও আলোচনা হয়। শেষে উপস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের বক্তব্য শোনেন মন্ত্রী এবং সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মনিরুল হক চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আবুল কালাম, মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শামছুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
