ছবি: বাসস
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৮৭ হাজার ১৫৭ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। গত ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া ফ্লাইট কার্যক্রমে মোট ২২৪টি ফ্লাইটে তারা সৌদি পৌঁছান। হজ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও এই সফরে অংশ নিয়েছেন।
হিজরি পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ৫ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হজ অফিস বুলেটিনে জানানো হয়েছে, সৌদি আরবে এ পর্যন্ত ১৭ জন হজযাত্রী বার্ধক্যজনিত এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় মারা গেছেন। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৭২ জন, যাদের মধ্যে ৩৭ জন এখনও ভর্তি আছেন।
রোববার মক্কার হজ মেডিকেল সেন্টার পরিদর্শনে যান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিক। তিনি হজযাত্রীদের সেবাদান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং চিকিৎসকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিতের নির্দেশনা দেন।
হজ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে এবার হজযাত্রীদের জন্য স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা কার্ড ইস্যু করা হয়েছে, যা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন সচিব।
চলতি বছর ৫ হাজার ২০০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৮১ হাজার ৯০০ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে অংশ নিচ্ছেন। মোট ৭০টি হজ এজেন্সি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে।
হজ অফিসের পরিচালক এম লোকমান হোসেন জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০৮টি ফ্লাইটে ৪২ হাজার ৪০৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ৮৩টি ফ্লাইটে ৩১ হাজার ৬৭৬ জন, এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৩৩টি ফ্লাইটে ১৩ হাজার ৭৭ জন হজযাত্রী পরিবহন করেছে।
তিনি বলেন, “সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ঢাকায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাস প্রত্যেক হজযাত্রীর পাসপোর্ট অনুযায়ী ভিসা ইস্যু করেছে।”
হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য মিনা ও আরাফাতের মানচিত্র বিতরণ করেছে মক্কা আইটি হেল্প ডেস্ক।
প্রসঙ্গত, ২৯ এপ্রিল প্রথম হজ ফ্লাইটে ৩৯৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ১০ জুন থেকে এবং চলবে ১০ জুলাই পর্যন্ত।
