প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) আতিক মোর্শেদের বিরুদ্ধে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং অর্থ বেহাতের অভিযোগ ঘুরে বেড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নগদের অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করেন এবং তার স্ত্রীসহ স্বজনদের সেখানে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। আরও গুরুতর অভিযোগ, নগদ থেকে ১৫০ কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছেন তিনি।

এইসব অভিযোগের বিষয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আতিক মোর্শেদ। তিনি বলেছেন, “নগদের অফিসে আমি মাত্র দুইবার গিয়েছি, সেটিও অফিসিয়াল কাজে।”
নিজের স্ত্রীর চাকরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী নিজ যোগ্যতায় নগদ-এ আবেদন করেন এবং কর্তৃপক্ষ তার পূর্বের অভিজ্ঞতা ও মেধার ভিত্তিতে শর্তসাপেক্ষে অস্থায়ী চাকরি দিয়েছেন।”
সবচেয়ে আলোচিত ১৫০ কোটি টাকা বেহাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে আতিক মোর্শেদ দাবি করেন, তিনি ডাক বিভাগ থেকে নগদ-এর কাছে গত দুই মাসের পরিচালন ব্যয় ও বিল সংক্রান্ত হিসাব চেয়েছিলেন। এতে দেখা যায়, মোট তোলা হয়েছে আনুমানিক ৪৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে—বেতন-ভাতা, অফিস ভাড়া, ভেন্ডর বিল ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয়।
আতিক বলেন, “কোনো অর্থ আত্মসাতের প্রশ্নই আসে না। আমার দিক থেকে সবকিছু স্বচ্ছ। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
এ বিষয়ে নগদ কর্তৃপক্ষ বা ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
