ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন এ দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের মুক্তচিন্তা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জাতীয়তাবাদের অন্যতম রূপকার।

তিনি বলেন, যেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে শহীদ জিয়া জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, সেই গণতন্ত্র আজও নানা প্রতিবন্ধকতায় জর্জরিত। তবে অচিরেই বাংলাদেশ গণতন্ত্রে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত হয়।
খালেদা জিয়া বলেন, প্রতি বছর মে মাসের এই দিনটি শুধু আমাদের পরিবারের জন্যই নয়, পুরো জাতির জন্য আসে এক বেদনাবিধুর স্মৃতি নিয়ে। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামে এক দেশপ্রেমিক ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ককে আমরা হারিয়েছি, যিনি ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভিত্তি রচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী।
তিনি স্মরণ করেন, কীভাবে চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শহীদ জিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে নিজের নাম চিরন্তনভাবে জড়িয়ে ফেলেছিলেন। তার মতে, শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা এবং গণতন্ত্রের ভিত্তি গড়ে উঠেছিল, যা আজ আবারও পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের যে রাজনীতি শহীদ জিয়া রেখে গেছেন, তা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই তার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব। তিনি বলেন, আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার হোক শহীদ জিয়ার আদর্শে ফিরে গিয়ে বাংলাদেশকে আবারও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
