ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় রাজধানীর বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এই আলোচনার সূচনা করেন কমিশনের প্রধান ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
আলোচনায় অংশ নিতে এরই মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ অন্যান্য দলের নেতারা।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজকের আলোচনায় ৩০টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ঈদুল আজহার আগে একদিন এবং ঈদের পরে ধারাবাহিকভাবে দলগুলোর সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা চলবে। এসব আলোচনার ভিত্তিতে আগামী জুলাই মাসে একটি সম্মিলিত প্রস্তাবনা হিসেবে ‘জুলাই সনদ’ প্রকাশের লক্ষ্য নিয়েছে কমিশন।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচারবিভাগ, দুর্নীতি দমন ও পুলিশ সংস্কার কমিশন তাদের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেয়। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম দফার আলোচনা শুরু হয়, যা শেষ হয় ১৯ মে।
ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছে, কিছু প্রস্তাব—যেমন ক্ষমতার ভারসাম্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, প্রধানমন্ত্রী পদের সীমা, বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি ও সংবিধান সংশোধনের রূপরেখা—এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। তবে বেশির ভাগ দল এসব বিষয়ে আরও আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
