ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম সাহিল ফারাবি আয়ান (১৪)।
রোববার (২৭ জুলাই) রাত পৌনে ২টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আয়ান মিরপুর মধ্য মনিপুর এলাকার বাসিন্দা এবং মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ভার্সনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আলী মাসুদ।
নিহতের চাচা ডা. মোস্তফা কামাল আরেফিন জানান, দুর্ঘটনার পর আয়ানকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তবে শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ হতাহত হন।
সর্বশেষ তথ্যমতে, দুর্ঘটনার পর এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৫ জন। এর মধ্যে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩৩ জন, ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১১ জন এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ১ জন চিকিৎসাধীন।
এছাড়া দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে—জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৮ জন, সিএমএইচে ১৪ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে ১ জন।
বিধ্বস্তের ঘটনাটি ইতোমধ্যেই দেশব্যাপী চরম উদ্বেগ ও শোকের সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে যেহেতু অধিকাংশ হতাহতই শিশু ও শিক্ষার্থী। তদন্ত চলছে এবং এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—কীভাবে এমন দুর্ঘটনা একটি স্কুল এলাকায় ঘটতে পারে।
