সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক আম ব্যবসায় ভুয়া অর্ডারের মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান।
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া অর্ডার দিয়ে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
পোস্টে তিনি জানান, আগে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুক্ত থাকলেও পরে জীবিকার প্রয়োজনে এফ-কমার্সের মাধ্যমে আম বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন। শুরুতে ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ পদ্ধতিতে অগ্রিম ছাড়াই অর্ডার নিতেন, তখন অর্ডার বেশি এলেও প্রায় ১০ শতাংশ ভুয়া অর্ডারের কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
পরবর্তীতে অগ্রিম ৫০০ টাকা নেওয়ার নিয়ম চালু করলে অর্ডার কমে যায়, তবে ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান তিনি।
একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এক গ্রাহক গোপালভোগ আমের সাইজ নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে প্রতিশোধমূলকভাবে দুই মণ আম অর্ডার করেন। অগ্রিম ছাড়াই সেই অর্ডার পাঠানো হলেও পরে গ্রাহক তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়। তার ভাষ্যমতে, সংশ্লিষ্ট দম্পতি পুরো অর্ডার নিতে না পারলেও আংশিক গ্রহণ করে এবং বাকি আম পুলিশ সদস্যরা মূল্য পরিশোধ করে নিয়ে নেন।
