চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার করেরহাট ফরেস্ট অফিস এলাকায় চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি সড়কে এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে সাদ্দাম হোসেন পিন্টু, মো. আনোয়ার, ধলা মিয়া, মোহাম্মদ রাসেল ও মো. ফারুককে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সড়ক দিয়ে চলাচলকারী কাঠবোঝাই ট্রাক থেকে এক হাজার টাকা এবং বালুবোঝাই ট্রাক থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হতো। গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর চাঁদা তোলার নিয়ন্ত্রণ ছিল স্থানীয় যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলমগীর ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাসুদ কালার হাতে। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর নিয়ন্ত্রণ নূর উদ্দিনসহ অন্য একটি পক্ষের কাছে চলে যায়। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার চাঁদা তোলার দায়িত্বে থাকা ফারুকের ওপর প্রতিপক্ষের হামলার ঘটনায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজি, মাদক নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই দ্বন্দ্ব দেখা দিচ্ছে। এর আগেও বন বিভাগের এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
